Description
অতীতের সিংহপুরের সাথে সুসীমা নামে এক বাঙালি রাজকন্যা জড়িয়ে আছে। সিংহপুর প্রসঙ্গ ও দীনেশ চন্দ্র সেনের ‘বৃহৎ বঙ্গ’ থেকে পাই: দ্বীপবংশ ও মহাবংশ নামক প্রাচীন বৌদ্ধ পুরাণ গ্রন্থে পালি ভাষায় যে কাহিনী লিপিবদ্ধ আছে তা যদি ঐতিহাসিকভাবে সত্য হয়, তাহলে বলতে হয় যে এ ইতিহাস বাঙালীর শৌর্য-বীর্যের ইতিহাস। কাহিনীটির ভিত্তিভূমিও তাই। তবে উপন্যাসে আদ্যোপান্ত সত্যতা খুঁজে পাওয়া উচিত নয়। উপন্যাসে লেখক-কে কল্পনার আশ্রয় নিতেই হয়। এ উপন্যাস ব্যক্তিগত সংঘাতের, রাজদরবারে এক নারীর চরমতম প্রতিবাদ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে। যেখানে সর্বোতভাবে সাহায্য করে যাবে একজন পরাক্রমশালী পুরুষ। সুসীমা, তিনি আবার যে সে নারী নয়, বঙ্গেশ্বরের রাজকন্যা। অসামান্যা রূপসী, বিদূষী। পৌরাণিক ইতিহাসের বর্ণনায়। ঈর্ষা, প্রতিশোধ, খুন এ উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য। ইতিহাস যদি সঠিকভাবে লেখা থাকত, তবে আমরা বাঙালিদের সত্যিকারের শৌর্য ও বীর্যের অনেক ইতিহাস পড়ে চমকে উঠতাম। সিংহপুরের সুসীমার সাথে আমরা আমাদের মানস চোখে কিছুক্ষণ ভ্রমণ করি সেই পুরানো তামাদি হয়ে যাওয়া বা একদম হারিয়ে যাওয়া বাঙলার সেই দিনগুলোতে। পড়ুন লেখক গৌতম বাড়ই এর সাথে টাইম লাইন প্রকাশনার নবতম প্রয়াস। Singhapurer Susima





Ketjel Pakhi || Supriyo Chowdhury || কেতজেল পাখি || সুপ্রিয় চৌধুরী
Reviews
There are no reviews yet.