Description
পাহাড়ের মাথায় এক দুর্গ আজও দাঁড়িয়ে আছে। পরিত্যক্ত, জীর্ণ এক খণ্ডহারের মতো। কিন্তু আড়াইশো বছর আগে সেখানেই ছিল ছেনিয়ালদের রাজপাট। পাহাড়ি রাজ্যের অর্থনীতি বহুলাংশে পর্যটন-নির্ভর, লক্ষ লক্ষ পর্যটক আসে সেখানে দেশ-বিদেশ থেকে। অথচ হেরিটেজ সাইটের তকমা পাওয়া সেই দুর্গকে এক অজানা কারণে যেন পর্যটকদের চোখের আড়ালেই রাখতে চায় সরকার। কেবল তাকে ঘিরে বাতাসে ভেসে বেড়ায় গা ছমছমে কিছু গল্প, যেন এক অজানা আতঙ্ক ছায়া বিস্তার করে রেখেছে তার প্রস্তর প্রান্তরের উপরে। স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস দুপুর তিনটের পর সেখানে গেলে… কী হয়? এই কাহিনি সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজবে।
পাহাড়ের কোলে ছবির মতো সুন্দর এক ছোট্ট গ্রাম। সেখানে সপরিবারে বাস করেন বৃদ্ধ নাথাং কারবু। নাথাঙের সংগ্রহে আছে এক প্রাচীন পুঁথির একটি ছেঁড়া পাতা। এক শীতের বিকেলে সকলের চোখের আড়ালে সেই পাতাটি বের করতে বাধ্য হন নাথাং। সেই পাতায় যা লেখা আছে তা নাথাঙের রক্ত হিম করে দেয়।
এই কাহিনিতে আছে এক শাসকের কথাও। পাহাড়ি রাজ্যের দোর্দণ্ডপ্রতাপ মুখ্যমন্ত্রী থিসেন ছেনিয়াল। দীর্ঘদিন রাজ্য শাসন করার পরে হঠাৎই যিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। কীসের উদ্বেগ তাঁর? কেন তাঁকে এক শীতের সন্ধ্যায় বৃদ্ধ নাথাং কারবুর বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হতে হয়? কেনই বা এক সামান্য নাগরিকের দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার খবর পেয়ে তাঁকে ছুটতে হয় হাসপাতালে।
আর থোরুপ গ্যালসেন? পাহাড়ি রাজ্যের ইতিহাস তাকে চিহ্নিত করেছে খলনায়ক হিসেবে! কিন্তু সেই ইতিহাসের বাইরেও কি আছে কোনো সত্য? এই কাহিনি সেই সত্যও অনুসন্ধান করবে।
এক পাহাড়ি রাজ্য, প্রাচীন রাজধানীর ধ্বংসাবশেষ, শাসক-বিরোধী দ্বন্দ্ব এবং সত্যানুসন্ধানের লক্ষ্যে এক দুঃসাহসিক অ্যাডভেঞ্চার…





Chakryabyuhe Prakhar Rudra || Kaushik Roy || চক্র্যাব্যূহে প্রখর রুদ্র || কৌশিক রায়
Reviews
There are no reviews yet.