ভালুক মায়ের কাছে গহন তরাই জঙ্গলে পালিত হচ্ছিল অনাথ মানবশিশু৷ কাগজে এই বিস্ময়কর সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর হই-চই পড়ে গেল৷ মানবশিশু ও অন্য একটি ভালুকশিশুকে বন্দি করে আনেন শিকারিরা৷…
তারপর?…
হ্যাঁ, তারপরই শুরু হল ভালুক-বালকের আদ্যক্ষর দিয়ে তৈরি নাম ‘ভাবা’র রোমাঞ্চমুখর কাহিনি৷ বাংলা কিশোর সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় সৃষ্টি৷ ভাবা টারজান নয়, সে পালিত হয় এক নিঃসন্তান চিকিৎসক দম্পতির কাছে৷ কিন্তু মানুষের সমাজের সকলে কি মেনে নিল তাকে?…তার মেধা-বুদ্ধি-শক্তি আর পাঁচটা ছেলের চেয়ে অনেক বেশি৷ আবার তার রয়েছে আশ্চর্য ক্ষমতা! সে বুঝতে পারে জীবজগতের ভাষাও!… ‘ভাবা’কে নিয়ে দীনেশচন্দ্র লিখেছেন ১০টি কাহিনি৷ নাম তার ভাবা, বিপদে ভাবা, পথের খোঁজে ভাবা, নিজের খোঁজে ভাবা, ফিরে এলো ভাবা, সন্ধিক্ষণে ভাবা, বনেজঙ্গলে ভাবা, নব ভূমিকায় ভাবা, কাজিরাঙ্গায় ভাবা, এবার মানসে ভাবা—সব কাহিনিকে একত্রিত করে এই বহুপ্রতীক্ষিত ভাবা সমগ্র অখণ্ড৷
















Reviews
There are no reviews yet.