Description
আঠারো শ’ ছাপ্পান্ন।লখনউ থেকে সদলবলে কলকাতায় এসে নামলেন অযোধ্যার শেষ নবাব ওয়াজিদ আলি শাহ। ইংরেজের চক্রান্তে তিনি রাজ্যহারা। ওরা তাঁকে নির্বাসিত করেছে কলকাতায়। নবাবের নতুন ঠিকানা কলকাতার মেটিয়াবুরুজ। আঠারো শ’ সাতান্ন। মহাবিদ্রোহ। লখনউয়ে দাউ দাউ আগুন। মেটিয়াবুরুজ থেকে ওয়াজিদ আলি শাহকে আটক করা হল ফোর্ট উইলিয়ামে। ওয়াজিদ আলি শাহ ইতিহাসে এক বিয়োগান্ত নাটকের দুঃখী নায়ক। কিন্তু চক্রান্ত, বিশ্বাসঘাতকতা, চরিত্রহননের নিপুণ চেষ্টা, কোনও কিছুই হত্যা করতে পারেনি ওয়াজিদ আলি শাহর সম্ভ্রান্ত, গর্বিত এবং সংবেদনশীল উদার চরিত্রকে, তাঁর শিল্পী মনকে। সুতরাং দেখতে দেখতে মেটিয়াবুরুজ পরিণত দ্বিতীয় লখনউ-এ। সেই ইমারতের পর ইমারত, সেই ইমামবাড়া মসজিদ, সেই বাগবাগিচা, সেই চিড়িয়াখানা। লখনউর মতোই গায়ক গায়িকা, নর্তক নর্তকী, কবি এবং চিত্রশিল্পীর ভিড় মেটিয়াবুরুজে। কথক। ঠুমরি। গজল। সেই নুপূর নিক্কণ, সেই সুরেলা কাব্য। ভাগীরথী তীরে সেদিন মৃদুমন্দ বইছে গোমতী তীরের সুরভিত হাওয়া। উনিশ শতকের কলকাতার সেই বিবর্ণ এবং বিস্মৃতপ্রায় অধ্যায়কেই এ বইয়ের পাতায় আশ্চর্য নৈপুণ্যের সঙ্গে ফিরিয়ে এনেছেন লেখক। তাঁর কলমের গুণে সম্পূর্ণ তথ্য নির্ভর ঐতিহাসিক আখ্যান যেন পরিণত রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসে। শুধু ওয়াজিদ আলি শাহ নন, তাঁর সঙ্গে সহসা আবার প্রাণ ফিরে পেল সেদিনের লখনউ, কলকাতা এবং মেটিয়াবুরুজ। শুধু দরবারি বিলাস নয়, ইংরেজদের বিরুদ্ধে জনতার ক্রোধের আগুনেও উজ্জ্বল এখানে ধূসর অতীত। চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছেন অগ্নিপ্রতিমা বেগম হজরত মহল। সেই অতীত আরও মুখর হয়ে উঠেছে গণেশ পাইনের জাদুকরি তুলির স্পর্শে। কলম আর তুলির এমন নিবিড় সম্পর্ক কদাচিৎ ঘটে। Metiyaburujer Nabab







Mrita Koitav Vol 2 || Sourav Chakraborty || মৃত কৈতভ খণ্ড ২ || সৌরভ চক্রবর্তী
BANGLA LEKHAK O SAMPADAKER ABHIDHAN || SUBHASH BHATTACHARYA
E Ganj Balukamoy E Deho Pinjar || Srijato || এ গঞ্জ বালুকাময় এ দেহ পিঞ্জর || শ্রীজাত
Reviews
There are no reviews yet.