Description
১৯২২ সালে মহেঞ্জোদারোতে খনন করে সিন্ধু সভ্যতাকে পৃথিবীর সামনে নিয়ে আসার কৃতিত্ব ছিল রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিন্তু তাঁকে বঞ্চিত করে ১৯২৪ সালে সমগ্র পৃথিবীর সামনে সেই আবিষ্কারের ঘোষণা হয়েছিল স্যার জন মার্শালের নামে। ভারতের ইতিহাসে তাঁর এমন বিশাল অবদানের পরেও, রাখালদাসের কাজ পরিপূর্ণভাবে অবহেলিত হয়েছে এবং তিনি চাকরি হারিয়ে বড় অল্প বয়সেই মারা যান। মহেঞ্জোদারো খননের রিপোর্ট তিনি বই হিসেবে প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু সেই আশা তাঁর সফল হয়নি কারণ স্যার মার্শাল ঠিক সময়ে তাঁকে রিপোর্টটি ফেরতই পাঠাননি। রিপোর্টটি পুনরুদ্ধার হলেও তার ছবিগুলি মার্শালের কাছ থেকে কখনও পাওয়া যায়নি আর সেই কারণে এতদিন ধরে সেই রিপোর্ট ছিল অসমাপ্ত। এই বইটি হল আধুনিক গবেষণার আলোকে রাখালদাসের মূল খনন প্রতিবেদনটির প্রথম বাংলা অনুবাদ। এর সঙ্গে বিস্তারিত নোট, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং নতুন আবিষ্কৃত তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করে পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য করার চেষ্টা করা হয়েছে। মার্শাল, ম্যাকে বা হুইলারের রিপোর্টের ছবি এবং সরাসরি মহেঞ্জোদারো থেকে কিছু ছবি তুলে এনে বইটি সর্বাঙ্গসুন্দর করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।





Ami Pritha Noi || Moumita || আমি পৃথা নই || মৌমিতা
Reviews
There are no reviews yet.