Description
‘গীতার বিধান’ (Geetar Bidhan) গ্রন্থটিতে লীলাতত্ত্ব বা ভাবানুবাদকে প্রাধান্য না দিয়ে আক্ষরিক অনুবাদে গীতার আত্মতত্ত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি গ্রন্থটি দুটি খন্ডে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রথম খন্ডে ভারতীয় দর্শন ও গীতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, কারণ প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় সংস্কৃতি ধারায় দর্শন। চর্চার মাধ্যমে দর্শন শাস্ত্র মজবুত হলেও আধুনিক পন্ডিতগণ সঠিক সত্য নির্ণয়ে পিছিয়ে পড়েছেন। তখন গীতা বলে উঠলেন, ঈশ্বরকে বাদ দিয়ে জীবের। জ্ঞান কখনোও উন্নত হতে পারে না। আবার দ্বিতীয় অধ্যায়ে কর্ম ও কর্মযোগের ধারণা, শ্রীমদ্ভগবত গীতা ও বিজ্ঞান (এখানে বিজ্ঞানের তত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক তত্ত্ব সম্বন্ধে কর্ণনা করা হয়েছে), শ্রীমদ্ভগবত গীতা ও সমাজ (গীতার আলোকে কিভাবে আমরা কুসংস্কার মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা করতে পারি তারই বর্ণনা হয়েছে), দৈনন্দিন জীবনের সাথে গীতার সংযোগ সাধন করে কিভাবে ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার ভিত্তিক আধ্যাত্মিক উন্নতি করতে পারা যায়। তা পরিবেশন করে প্রথম খন্ডের যবনিকা টানা হয়েছে। সুতরাং আমরা যেগুলোই জন্মগ্রহণ করি না কেন সমগ্র বৈচিত্রতাকে জয় ভোরে জীবনের কর্তব্য কর্মের সাথে আত্মকর্মের প্রতি হলে ব্যক্তি, সমাজ, দেশ ও জাতির সহায়ক হতে পারে।





Labnyaer Chithi || Susovan Adak || লাবণ্যের চিঠি || সুশোভন আদাক
Reviews
There are no reviews yet.