Description
তিরিশ বছরেরও বেশি হল, বিমল কর-এর দেওয়ালা উপন্যাসটির প্রথন খণ্ড প্রকাশিত হয়। তিন খণ্ডের এই উপন্যাসটি শেষ করতে দীর্ঘ সাত বছর সময় লেগেছিল তাঁর। বিচ্ছিন্ন ভাবে খণ্ড ক্রম একদা পাওয়া গেলেও বহুদিন যাবৎ তা আর পাওয়া যায় না। এত বছর পর এইপ্র থন দেওয়ালা উপন্যাসটির অর্থও সংরক্ষণ প্রকাশিত হল। “দেওয়াল” যে লেখক বিনল কর-এর রচিত দীর্ঘতম উপন্যাস—শুধুনার এ তথ্যই উল্লেখযোগ্য নয়; অনেকের মতে, একাধিক সমালোচকের ধারনায়, দেওয়াল – ই তাঁর শ্রেষ্ঠতন মচনা। শ্রেষ্ঠতম কিনাএ নিয়ে তর্ক চলুক। কিন্তু এতে কোনও সন্দেহ নেই যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিকায় শহর কলকাতাও নিম্ন মধ্যবিত্ত বাঙালী জীবনের এমন নিখুঁত চিত্র বাংলা সাহিত্যে দুহাত। ১৯৩১-৪৫—এই হবহারে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়ংকরতার মধ্যে, বাঙালীর জীবনে যে-সংকট, ভাঙন ও অবক্ষয় দেখা দিয়েছিল, তারই এক বিশ্বস্ত দলিত এই উপন্যাসর যুদ্ধ, ইভ্যাকুয়েশন, আতঙ্ক, ভারত ছাড়ো আন্দোলন, অগাস্ট বিদ্রোহ, বাংলার মহান্তর, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, কমিউনিস্টদের তালিকা, গারীবাদীদের বিশ্রাম ও চ্যুতি প্রভৃতি কীভাবে দ্রুত ঘটেযাচ্ছিল এবং তার প্রকাশ্য ও পরোক্ষ প্রভাবে আনাদের সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের নমনীতি রোধ, লালিত বিশ্বাস, পারস্পরিক সম্পর্কের অন্তরদত্তা ও শুচিতার ধারণাগুলি কেমন ভাবে কোম্পানকের হিংস্র আচয়ে ক্ষতবিক্ষত কাহিনী এই দেওয়াল। পাশাপাশি, সেইসব মানুষেরও কথা, এত বিশৃঙ্খলা ও বিপর্যয়ের মধ্যে, হাহাকার সত্ত্বেও, যারা মানবিকতা সহ্য করে উঠল হতে চেয়েছেন এই সংকট। ‘দেওয়াল’ নানের এই দীর্ঘ উপন্যাস বিমল কর রচনা করেছিলেন তাঁর যৌবন বয়সে। তবু, নিসন্দেহে বলা যায়, জীবনের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও বাস্তব বোধের এমন সমন্বয় তাঁর পরবর্তী কোনও রচনাতেই যেন লেখা যায় না। বাঙালী জীবনের বিশেষ এক অভিশপ্ত সালামের সার্থক দহিতে হলেও এই উপন্যাসটি সময় ও নিম্নক সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র নয়, সেই সংকীর্ণ সীমানা অতিক্রম করে মানব জীবনের বিশ্বর কাহিনী ক্রাশেই শেষাবধি স্থানীয় হাত থাদের “দেওয়াল”।






Ghidra || Abir Roy || ঘিদরা || আবীর রায়
Bangalir Berano Utasab Samkhya 2023
Kolkata Kosaikhana || Sourav Chakrabarty || কলকাতা কসাইখানা || সৌরভ চক্রবর্তী
Belpahari Thake Balligunj Place || Sekhar Bharatiya || বেল পাহারি থেকে বালিগঞ্জ প্লেস
Bhasanbari || Sayak Aman || ভাসানবাড়ি || সায়ক আমান
Arjun Badher Nepathye || Aniruddha Sau || অর্জুন বধের নেপথ্যে || অনিরুদ্ধ সাউ
Reviews
There are no reviews yet.