Description
চিত্রসেনপুর—নামটা যেমন মায়াবী, গ্রামটাও তেমনই। ছোট ছোট টিলা, এলোমেলো বুনো ঝোপঝাড় আর নিঃশব্দ প্রকৃতির মাঝখানে লুকিয়ে থাকা এক অচেনা পৃথিবী। এই গ্রামের শেষ সীমানায় দাঁড়িয়ে আছে চৌধুরী জমিদারদের পরিত্যক্ত প্রাসাদসম বাড়ি—মুক্তি ভিলা। দিনের আলোয় নিঃস্তব্ধ, আর রাত নামলেই আতঙ্কে ভরা। লোকমুখে শোনা যায়, এই বাড়ির গভীরে লুকিয়ে আছে এক অমূল্য গুপ্তধন, যার পাহারায় রয়েছে ভয়ংকর এক প্রেতাত্মা—যখ।
কাজের সূত্রে কলকাতা থেকে এখানে এসে পড়ে সৌম্য মিত্র। বুদ্ধিমান, সাহসী—কিন্তু একই সঙ্গে প্রবল লোভী। মুক্তি ভিলার প্রতিটি করিডর, প্রতিটি অন্ধকার ঘর তাকে টেনে নেয় অজানার দিকে। সৌম্য কি পারবে যখের রহস্য ভেদ করে গুপ্তধনের সন্ধান পেতে? নাকি তার পরিণতিও হবে আগের উত্তরসূরিদের মতোই—হানাবাড়ির নিষ্ঠুর অন্ধকারে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া?
অন্যদিকে অরিন্দমের জীবন যেন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। শুক্লা নামের এক নারী তাকে এক মুহূর্তের জন্যও ছাড়তে নারাজ। অরিন্দমের সর্বনাশ না দেখা পর্যন্ত শুক্লার শান্তি নেই। কিন্তু সমস্যাটা আরও ভয়ংকর—সরকারি নথি বলছে, শুক্লার মৃত্যু বহু আগেই হয়েছে। তাহলে সে কে? অরিন্দমের মানসিক বিভ্রম, না কি বাস্তবের বাইরে থাকা কোনো ভয়াল অস্তিত্ব? শুক্লার আতঙ্কে অতিষ্ঠ হয়ে অরিন্দম ছেড়ে পালায় কলকাতার চেনা জীবন, গা-ঢাকা দেয় শিলং-এর পাহাড়ে। কিন্তু পাহাড় কি সত্যিই নিরাপদ? শুক্লাপক্ষ জুড়ে ছড়িয়ে আছে অনিশ্চয়তা, ভয় আর রহস্যের শীতল ছায়া।
আর আছে রানিমহল—এক সময়ের রাজকীয় প্রাসাদ, এখন কেবলই ধ্বংসস্তূপ। জনমানবশূন্য প্রান্তরে দাঁড়িয়ে থাকা শতাব্দীপ্রাচীন এই পোড়োবাড়ি যেন নিজেই এক অপয়া সত্তা। কথিত আছে, এর বন্ধ দরজার আড়ালে বাস করে এক অপরূপ সুন্দরী ডাইনি—যার ফাঁদে পড়লে ফিরে আসার আর কোনো পথ নেই।
করোনা মহামারীর অস্থির সময়কে পটভূমি করে রচিত ভৌতিক উপন্যাসিকা ডাকিনী ভিলা ভয়প্রিয় পাঠকদের জন্য এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিজ্ঞতা। অন্ধকার রহস্য, অশরীরী আতঙ্ক আর অনিবার্য পরিণতির গল্পে ভরা এই বই আপনাকে টেনে নেবে ডাকিনী ভিলার নিষিদ্ধ অন্দরমহলে। Dakini Villa Ebong






Haste Haste Pariksha || Shyamal Chakraborty
Khuner Age Khuner Pore || Jayanta Dey
TOMAKE CHAI KOMOLINI || MAHUA GHOSH
Reviews
There are no reviews yet.