Description
দখমা। পারসি এই শব্দটিকে ইংরেজিতে বলা হয় টাওয়ার অফ সাইলেন্স। সোজা ভাষায় পারসিদের শ্মশান।
দশম শতাব্দীর শেষদিকে, পারস্য দেশের পরিত্যক্ত শহর ইয়াজদ এ কিছু মনুষ জড়ো হয় এক বিশেষ উপাচারে। উদ্দেশ্য এক বিশেষ উপায়ে, শাসকের নজর এড়িয়ে হিন্দুস্থানের মাটিতে পৌঁছে যাওয়া। এই উপাচারে প্রয়োজন তেরজন কিশোরীর দেহ। কিন্তু শেষের কিশোরীর বেলায় এমন কি হল যা বদলে দিলো সুদূর পারস্য থেকে আগত পারসিয়ানদের ভবিতব্য? সুদূর পারস্যর ইয়াজদ থেকে “রাহ মারদেগান” এর পথ ধরে কোন অন্ধকার শক্তি পা রাখল, সৌরাষ্ট্রের দ্বীপ অঞ্চলের নব্য নির্মিত দখমাতে?
দিউ শহরের সীমানার বাইরে দক্ষিণ পশ্চিমের একটি ছোট দ্বীপ কোরে। সেই দ্বীপের অগ্নিমন্দিরের প্রধান উপাসক দারিয়াস কাজরা কেন এলাকারই মরিয়ম আদনানেন দেহ, সাধারণ দখমাতে না রেখে, নারবালির পোড়ো দখমাতে রাখতে বললেন? এক নিষিদ্ধ হাওয়া বারবার তার নাকে ধাক্কা মারছে। কেনই বা নিখোঁজ হচ্ছে এখনকার অন্য ধর্মের মানুষেরা? তার মন বলছে, নিষিদ্ধ পুবের জঙ্গলে গিয়ে কেউ ওদের সঙ্গে সওদা করেছে। কারা ওরা?
তেরো বছরের কুটির কেন একটুও ভালো লাগছে না অরুণ আঙ্কেলের পুরো পরিবারকে। বিশেষ করে, ওয়াকিং স্টিকে ভর দিয়ে হেঁটে বেড়ানো ওই বুড়িকে? তার বারবার মনে হচ্ছে, এখানে যা কিছু দেখছে তা যেন একটা পর্দা? কি আছে ওই পর্দার আড়ালে? সে কি বাঁচাতে পারবে নিজের মা আর ছোট্ট ঝোরা কে?
একদল অপহরণকারী জড়ো হয়েছে কোরেতে। তাঁরা শুনেছে, এই দ্বীপে কেউ পা রাখলে নাকি বেঁচে ফেরে না। তারপরেও ওরা এসেছে বাধ্য হয়ে? নাকি কারো চক্রান্তে? শুরু হয়েছে ভয়ঙ্কর মরণের খেলা। কে বেঁচে ফিরবে এখান থেকে? আদৌও কি বেঁচে ফেরা সম্ভব? নাকি অতীতের গর্ভে আশ্রয় নিয়ে থাকা “আফতে পরেস্ত” একে একে গিলে খাবে একে একে ওদের সকলকে?











Banglar Dwadosh Bhoumik O Somokalin Bhumi Bybostha || Utpal Chakraborty
Reviews
There are no reviews yet.