Description
বীরাঙ্গনা প্রীতিলতা / Birangana Pritilata বইটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অনন্য অধ্যায়ের দলিল। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার—যিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নিয়ে আত্মবলিদানকারী প্রথম ভারতীয় মহিলা শহিদ—তাঁর জীবন, আদর্শ, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ এই গ্রন্থে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
লেখক Haripada Dey ইতিহাসসম্মত তথ্য, দলিল ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রীতিলতার ব্যক্তিত্বকে কেবল এক বিপ্লবী রূপে নয়, বরং এক চিন্তাশীল, শিক্ষিতা ও দৃঢ়চেতা নারী হিসেবে আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন।
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার: এক শিক্ষিতা বিপ্লবীর উত্থান
১৯১১ সালের ৫ মে জন্মগ্রহণ করেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। অল্প বয়স থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী ও অধ্যবসায়ী। বেথুন কলেজ থেকে দর্শনে ডিস্টিংশনসহ বিএ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করে তিনি চট্টগ্রামের নন্দনকানন বালিকা বিদ্যালয়ে প্রধানশিক্ষিকার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
কিন্তু শিক্ষিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত জীবনই ছিল না তাঁর চূড়ান্ত লক্ষ্য। ব্রিটিশ শাসনের অবমাননা, জাতিগত বৈষম্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অন্তরে জ্বলছিল প্রতিবাদের আগুন। সেই আগুনই তাঁকে নিয়ে যায় বিপ্লবী নেতা মাস্টারদা সূর্য সেন-এর গোপন সংগঠনে।
চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ ও পাহাড়তলি ইউরোপিয়ান ক্লাব অভিযান
১৯৩২ সালে প্রীতিলতার নেতৃত্বে সংঘটিত হয় পাহাড়তলি ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ—যে ক্লাবের প্রবেশদ্বারে লেখা ছিল,
“Dogs and Indians not allowed.”
এই অপমানজনক ঘোষণা ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের অহংকারের প্রতীক। প্রীতিলতা সেই প্রতীকের বিরুদ্ধেই অস্ত্র তুলে নেন।
সেই দুঃসাহসী অভিযানে ক্লাব জ্বলতে থাকে। ব্রিটিশ বাহিনীর পালটা হানায় ধরা পড়ার আশঙ্কা দেখা দিলে প্রীতিলতা পটাশিয়াম সায়ানাইড সেবন করে আত্মাহুতি দেন। মাত্র একুশ বছর বয়সে তিনি হয়ে ওঠেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম মহিলা শহিদ।
এই বইয়ে সেই অভিযানের প্রেক্ষাপট, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে।







Oi Ruper Prodip Jwele || Sudarshan Mishra || ওই রূপের প্রদীপ জ্বেলে || সুদর্শন মিশ্র
Psycho || Soham Bagchi || সাইকো || সোহম বাগচী
Champajharan || Buddhadeb Guha || চম্পাঝরন || বুদ্ধদেব গুহ
Reviews
There are no reviews yet.