Description
শৈশবে পিতৃহীন অজন্তা পরিবারে প্রধান উপার্জনশীল। আত্মপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াই তার চরিত্রকে ঋজু ও স্পষ্টভাষী করেছে, যা চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত মায়ের দম্ভ মনে হয়। মেয়ের অন্ন তাঁর মনকে পীড়ন করে। মেয়ে টের পায় ভাইয়ের প্রতি মায়ের পক্ষপাত। বিপথগামী ভাইকে প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব, মায়ের হৃদরোগের ব্যয়বহুল চিকিৎসার ভার সে নিয়েছে, অথচ আবিষ্কৃত হয়, পরিবারে মা-ভাই এবং তার দুই ভিন্ন জগৎ| অজন্তার পারিবারিক দায়ভার প্রেমিক তপোব্রতকে দূরে নিয়ে যায়। বিচিত্র বিরোধ ও বিপন্নতায় হঠাৎ সে পেয়ে যায় ছ’বছর আগে হারিয়ে যাওয়া বন্ধু শিবেন্দুকে। কেন সে হারিয়ে গিয়েছিল? ভাই অকস্মাৎ একদিন বিয়ে করে বসে। তাদের জীবনে সম্পর্কের রকম বদলে যেতে থাকে। অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠা সত্ত্বেও অজন্তা পৌঁছয় নিরালম্ব অবস্থানে। প্রেম ভেঙে গেছে, কিন্তু বন্ধুরা পাশে আছে। কতিপয় বন্ধুর বাইরেকার প্রগতিশীল সমাজ কি আজও একটি মেয়েকে যোগ্য সম্মান দিতে পেরেছে? বিরাট মূল্যে সাংসারিক দায়িত্ব পালনের পর কেন অজন্তাকে শুনতে হয় সে ‘ছেলের কাজ’ করল? এ উপন্যাস জটিল সমাজমানসের এক মর্মছোঁয়া উদঘাটন।





Akal Basanter Pakhi || Ratantanu Ghanti || অকাল বসন্তের পাখি || রতনতনু ঘাঁটি
Reviews
There are no reviews yet.