Description
১৫-১৬ বছরের এক কিশোর কলকাতায় ফুটবল খেলতে এসে ‘৪৬-এর দাঙ্গার মুখোমুখি পড়ে গেল। ঢাকায় ফিরেও একই রকম উত্তপ্ত পরিবেশ। বাড়ির সঙ্গে ঝগড়া করে একা থাকা শুরু হয়েছিল আগেই। এবার ভাগ্যান্বেষণে কলকাতায় চলে আসা। পঞ্চাশের দশকের গোড়ায় বাংলা ছবির জগতের অনেক টুকরো কথা ধরা আছে রমেশ ওরফে পুনু সেনের স্মৃতিতে, টালিগঞ্জ পাড়ায় যিনি আমৃত্যু পরিচিত ছিলেন সত্যজিৎ রায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী হিসেবে। পুনুর প্রথম শিক্ষক ছিলেন সে আমলের দাপুটে চিত্রসম্পাদক অর্ধেন্দু চট্টোপাধ্যায়। এঁর কাছেই কাজ শিখেছেন দুলাল দত্ত (পরে সত্যজিৎ রায়ের সব ছবির সম্পাদক), আরও অনেকেই। পুনুরও যোগাযোগ গড়ে উঠল তাঁদের সঙ্গে। কাজের সুযোগ এল সত্যজিতের ইউনিটে। ‘পথের পাঁচালী’, ‘অপরাজিত’-র সহকারীদের মধ্যে পুনুও ভিড়ে গেলেন। সেখান থেকে সোজা ঋত্বিক ঘটকের কাছে। কাজ করলেন চারটি ছবিতে। তার পর তরুণ মজুমদারের সঙ্গে। পুনুর মন তবু পড়ে ছিল মানিকদা’র জন্য। ষাটের দশকের মাঝামাঝি থেকে পুনু হয়ে উঠলেন সত্যজিতের সহযোগী। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত জড়িয়ে রইলেন রায় পরিবারের সঙ্গে। রমেশ সেনের স্মৃতি শুধু ব্যক্তির নয়, একটা দীর্ঘ সময়ের সাক্ষী। সত্যজি রায়, বাংলা ছবি আর কলকাতার জলহাওয়ার খতিয়ান।





Reviews
There are no reviews yet.