নিজের নানান উপন্যাসের দায়-দাবিতে গান লিখেছেন নভেলিস্ট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
সে পরম্পরায় আনন্দমঠ উপন্যাসে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রত্যয়ী প্রচারে প্রকাশ পেল বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দে মাতরম্ ।
সংগীতগুরু যদুনাথ ভট্টাচার্য-র সুরসঞ্চারে প্রাণিত হল সে গান। সময়ের প্রেক্ষিতে তার প্রসার মাতৃবন্দনার স্বরূপে। ব্রিটিশ ভারতের স্বদেশি চেতনায় মাতৃবন্দনা কালক্রমে রূপ নিল জাতীয় সংগীতের।
সেদিন থেকে আজ-শতাধিক সুরশিল্পীর স্বাতন্ত্র্যে বন্দে মাতরম্ সোচ্চার হয়েছে সমাজ-সংস্কৃতি স্বদেশি রাজনীতির পরিমণ্ডলে। কখনও স্বকীয় ব্যক্তিত্বে, কখনও নাট্যের মঞ্চে কখনও চলচ্চিত্রের পর্দায় আবার কখনও বা যাত্রার আসরে সে গান সাড়া ফেলেছে রকমফের সুরবিন্যাসে। পাশাপাশি প্রতিহত হয়েছে শাণিত বিবাদ বিতর্ক-বিদ্বেষ। তবু, জনতার দরবারে অনড় থেকেছে জাতীয় স্বীকৃতি। তাই বিস্মৃত ইতিহাসের অন্ধিসন্ধিতে নতুন করে ফিরে দেখা সুরান্তরের স্বর্ণময় বন্দে মাতরম।
প্রচ্ছদে প্রতীয়মান নিবেদিতা-নির্মাণে পরাধীন ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকায় চিত্রিত বন্দে মাতরম্।










Reviews
There are no reviews yet.