পেরু – প্রাচীন ইনকা সাম্রাজ্যের দেশ। এক সময় এই ভূমি ছিল সোনা ও ঐশ্বর্যের প্রতীক। কিন্তু ইউরোপীয় অভিযাত্রীদের লোভ ও আক্রমণের ফলে হারিয়ে যায় সেই মহিমান্বিত সভ্যতার অনেক ইতিহাস। তবুও আন্দিজ পর্বতমালার দুর্গম অঞ্চল কিংবা আমাজনের গভীর অরণ্যের অন্তরালে আজও লুকিয়ে আছে এমন কিছু রহস্যময় জনপদ, যাদের অস্তিত্ব আধুনিক সভ্যতার কাছে প্রায় অজানা।
কুজকোর একটি হোটেলে সুজয়ের পরিচয় হয় ইতিহাস গবেষক প্রফেসর মার্কেস এবং তাঁর নাতনি সুসানের সঙ্গে। তাঁদের উদ্দেশ্য প্রাচীন ইনকা সভ্যতার ওপর তথ্য সংগ্রহ করা। সফরে যোগ দেন ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার বিলও। মাচুপিচুতে তাঁদের পরিচয় হয় ধনকুবের মি. পিনচিও এবং সূর্যমন্দিরের পুরোহিত ইল্লাপার সঙ্গে। ইল্লাপা যাচ্ছেন এক গোপন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে, যা অনুষ্ঠিত হবে বহু শতাব্দী ধরে লুকিয়ে থাকা এক প্রাচীন ইনকা নগরীতে।
অভিযানের নেশায় মেতে ওঠা সুজয় ও তাঁর সঙ্গীরা ইল্লাপার সঙ্গে যাত্রা শুরু করে অজানা পথের উদ্দেশে। কিন্তু সামনে অপেক্ষা করছে অসংখ্য বিপদ। আমাজনের ভয়ঙ্কর জঙ্গল, হিংস্র কালো জাগুয়ার, বিশাল অ্যানাকোন্ডা এবং রহস্যময় আদিবাসী গোষ্ঠী তাঁদের প্রতিটি পদক্ষেপকে করে তোলে অনিশ্চিত ও রোমাঞ্চকর।
তারা কি পৌঁছতে পারবে সেই হারানো ইনকা নগরীতে? কী রহস্য লুকিয়ে আছে সূর্য মন্দিরের অন্তরালে? আর শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে সুজয়, সুসান ও প্রফেসর মার্কেসের সঙ্গে?
খ্যাতনামা লেখক হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্তের ‘সূর্য মন্দিরের শেষ প্রহরী’ (Surya Mandirer Sesh Prohari) একটি দুর্দান্ত কিশোর-অভিযান উপন্যাস, যেখানে ইতিহাস, রহস্য, রোমাঞ্চ ও অ্যাডভেঞ্চার এক অনন্য মিশ্রণে পাঠককে নিয়ে যায় অজানার সন্ধানে। কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয় পাঠকের জন্যই এটি একটি উপভোগ্য ও সংগ্রহযোগ্য বই।














Reviews
There are no reviews yet.