Description
দক্ষিণ ইওরোপের কাছাকাছি দুটি দেশ, গ্রিস ও ইতালি। ভারতের মতোই ইতিহাস ও কল্পকাহিনীতে ভরা প্রাচীনভূমি। ইওরোপকে সভ্যতার আলো দেখিয়েছেন এই দেশ দুটি। গ্রিস জেগে উঠেছিল আগে, পশ্চিমের সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল সেইখানেই। সাড়ে তিন হাজার বছর আগে ব্রোঞ্জ যুগে সময় ইওরোপে যখন বর্বরতার অন্ধকার, গ্রিসের মানুষেরা তখন প্রাসাদ গড়েছেন, সূক্ষ্ম অলঙ্কার তৈরি করে নিজেদের সাজিয়েছেন, অতি উচ্চমানের ছবি এঁকেছেন। হিলের সেই বীরযুগের কাহিনী ধরা রয়েছে হোমারের ইলিয়াড ও ওডিসিতে। আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিসেরই কিছু মানুষ ঘোষণা করেছিলেন মানুষই সব। ঈশ্বর নয়, এই পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মানুষ। হিসেব সেই স্বর্ণযুগের কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় আমাদের অনেকদিনের। সক্রেটিস-প্লেটো-অ্যারিস্টটল বা শিখালোবাস ও ইউক্লিড অথবা সফোক্লিস-ইউরিপিডিস-এনকিলাসের নাম আমাদের দেশে কে না জানো গ্রিসের সেই গৌরবময় যুগের অবসানে জেগে উঠেছিল প্রতিবেশী আর একটি দেশ, ইতালি। ইতালির জাগতে কিছুটা সময় লেগেছিল, তবে জেগে উঠেছিল এমন প্রবলভাবে যে তার ধাক্কা গিয়ে পৌঁছেছিল দূর-দূরান্তে। প্রাচীন ইতালি মানেই রোম সাম্রাজ্য। পশ্চিমে ব্রিটেন ও পূর্বে পারস্য পর্যন্ত ছিল রোম সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি। জুলিয়াস সিজার, অগাস্টাস, ট্রাজান, হেড্রিয়ান, মার্কাস অব্রেসিয়াসের নাম আজও সম্ভ্রম জাগায় মানুষের মনে। আজও তাঁরা বেঁচে আছেন অসংখ্য নাটকে, উপন্যাসে, গল্পে, চলচ্চিত্রে। মধ্যযুগের শেষে ইতালিতে এসেছিল আর এক গৌরবান্বিত যুগ, রেনেসাঁস। এই যুগের চিন্তা-ভাবনা নাড়া দিয়েছিল সমগ্র পৃথিবীকে। ইওরোপের এই দুই দেশের প্রাচীনভূমিতে অতীতের সেই গৌরবময় যুগের সন্ধানে ভ্রমণে বেরিয়েছেন লেখিকা। এই বইটিতে তিনি শুনিয়েছেন এই দুই দেশের ইতিহাস ও পুরাণের চিকাহিনীগুলি।





Reviews
There are no reviews yet.