Description
শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের প্রাক্কালে বলেছেন-“যদা যদাহি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত, অভ্যুত্থানম ধর্মস্য তদাত্মানং সৃজামহ্যম্।” সেই শ্রীকৃষ্ণ যখন দ্বাপরযুগে জন্মেছিলেন এবং কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের যখন তিনিই একরকম প্রধান নায়ক-তখন বুঝতে হবে যে ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ্যুত্থান ভালোরকমই ঘটেছিল, পৃথিবীর মানুষ অত্যাচারে অবিচারে দুঃখে কষ্টে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল, রাজশক্তি তথা ক্ষাত্রশক্তি লোভ অসূয়া দ্বেষ হিংসা শূন্যগর্ভ-অহঙ্কার ও আত্মনাশা বুদ্ধিতে আচ্ছন্ন এবং মতিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছিল। শ্রীকৃষ্ণ কি ভারতকে তার পঙ্ক-শয্যা থেকে, নিত্য আত্মাবমাননা ও মালিন্য থেকে উদ্ধার করতে চেয়েছিলেন? চেয়েছিলেন কি সম্ভোগমত্ত মদগর্বিত নির্বোধ বিকৃত ক্ষাত্রশক্তির হাত থেকে দেশের শাসনক্ষমতা কেড়ে নিয়ে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সৎ মানুষের হাতে দেশের ভার তুলে দিতে? চেয়েছিলেন কি দরিদ্র, নিপীড়িত, মূঢ়, মুক সেইসব সাধারণ মানুষদেরই সঙ্ঘ-শক্তিকে শাসন-শক্তিতে রূপান্তরিত করতে? এই জন্যই কি তাঁর বিখ্যাত ঘোষক শঙ্খের অন্য কোনো নাম না দিয়ে পাঞ্চজন্য রাখা হয়েছিল? সেই জন্যই কি তিনি রাজসূয় যজ্ঞে সাধারণ মানুষদের পাদপ্রক্ষালনের ভার নিয়েছিলেন? ‘পাঞ্চজন্য’ গ্রন্থের মহাভারতীয় কাহিনীর মধ্যে লেখক এই সব প্রশ্নেরই উত্তর সন্ধান করেছেন। PANCHAJANYA







Reviews
There are no reviews yet.