“তার মাথাটা চাঁদের আলোর মধ্যে এসে পড়েছিল, এবার তাকে সম্পূর্ণ দেখতে পেলাম আমি। লম্বা জিভটা মুখের বাইরে এসে পড়েছে, জ্বলন্ত কাঠকয়লার মতো দুটো চোখ জ্বলছে ধকধক করে। আমার দিকে তাকিয়ে তীক্ষ্ণ গলায় সে চিৎকার করে উঠল।
কী ভয়ানক সে চিৎকার বিভূতি! আমার মনে হল একশোটা স্টিম ইঞ্জিনের বাঁশি একসঙ্গে বেজে উঠল, মাথার ভিতরে ছুঁচলো তুরপুণ দিয়ে কেউ যেন ছ্যাঁদা করে ফেলতে লাগল খুলি থেকে ঘিলু অবধি। কিন্তু মনোলোকের সে ভীতি আমি কিছুতেই বাইরে আসতে দিলাম না, রুদ্রাক্ষের মালাখানি সামনের দিকে তুলে ধরে শক্ত করে দাঁড়িয়ে, এক মনে জপ করতে লাগলাম…
“অট্টহাসভিন্নপদ্মজাণ্ডকোশসংততিং
দৃষ্টিপাত্তনষ্টপাপজালমুগ্রশাসনম্।
অষ্টসিদ্ধিদাযকং কপালমালিকাধরং
কাশিকাপুরাধিনাথকালভৈরবং ভজে।।”
কে এই ভয়াল ভয়ংকর নারীমূর্তি? আদিত্যনাথ কি পারবেন তার হাত থেকে কমলকে রক্ষা করতে?
উত্তর আছে একলব্য প্রকাশন থেকে প্রকাশিত কর্ণ শীল বিরচিত ‘পরিব্রাজক ‘ গ্রন্থে। Paribrajak












Reviews
There are no reviews yet.